কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে কথিত পুশইনের ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের পতাকা বৈঠকেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ফলে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১২ জন এখনো শূন্যরেখায় অবস্থান করছেন। বৈঠকে বিএসএফ অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্তের জন্য সময় চেয়েছে। পুশইনের শিকার ব্যক্তিরা নিজেদের বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করছেন। সীমান্ত পরিস্থিতি উত্তপ্ত থাকলেও বিজিবি সতর্ক অবস্থান বজায় রেখে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।